আপু ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল “কখনো লিপকিস করেছিস?”


আমি সুযোগ খুঁজছি বটে, তবে যে হন্যে হয়ে খুঁজছি তা না এর মধ্যে আপু নরমালহয়ে গেছে, আমিও যেন কিছুই হয়নি এমনি ভাবে আছি বাবার অফিসে চাপ কম তাইপরের উইকেন্ডে আমরা গ্রামে বেড়াতে যাব আপুও যাবে এটাকে একটা সুযোগ মনেকরে তীর্থের কাকের মত বসে রইলাম


শুক্রবার সকালে খুব ভোরে উঠেই লাফালাফি শুরু করে দিলাম যাবার জন্য বাধ্য হয়ে বাবা বেশ সকাল সকাল স্টার্ট করল ড্রাইভারের পেছনে বাবা, তার পেছনের সারিতে আমি ও আপু পুরোটা রাস্তা আমি আপুর কোলে শুয়ে শুয়ে এলাম, আপুর গোপনাঙ্গের খুব কাছে ভাগ্য খারাপ, যে গন্ধের আশায় ছিলাম তা পাইনি তবে নিচ থেকে ওর বুকের আদর্শ শেপটা দেখতে দেখতে গিয়েছি গাড়ির ঝাঁকুনিতে বুকের নাচন মনোলোভামাঝে দু-তিনবার ওর মেদহীন পেটে চুমু খেয়েছি খুব নরমভাবে হয়তো টের পায়নি


বৃষ্টির দিন, আমরা পৌঁছানোর পরপরই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল আমি আর আপু অনেকমজা করলাম বিকেল বেলা ঘুমাব, একটা দূরের রুমে গিয়ে আমি একটা চাদর গায়দিয়ে শুয়ে পড়লাম, আপু আসছে মিনিট পাঁচেক পর আপু এসে দরজা লাগিয়ে দিলরিমঝিম বৃষ্টি চলছেই বাইরে পরিবেশটা চিন্তা করে পুলক জেগে উঠল
আপু বিছানার পাশে আসতেই আমি ওকে জাপটে ধরে ফেললাম আমার গালে কপালে ওঅসংখ্য চুমু খেতে লাগল বিনিময়ে আমিও দিলাম এবং হাত ধরে আমন্ত্রণ জানালামবিছানায়, চাদরের নিচে আসার জন্য আপু ওড়নাটা খুলে রেখে ভেতরে চলে এলোএখনো আদর করে দিচ্ছে


আপু ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল কখনো লিপকিস করেছিস?”
আমি বললাম তুমি আমার লাইফে প্রথম মেয়ে
আয় শিখিয়ে দিচ্ছি বলে আমার চিবুকটা উঁচু করল সে, “এটা তোর সেকেন্ড লেসন
আমি দেখলাম আপুর গোলাপ ফুলের পাপড়ির মত ঠোঁট দুটো এগিয়ে আসছে আমার কাছে মনে হল সময় যেন স্থির হয়ে গেছে যখন ঠোঁট স্পর্শ করল ততক্ষনে আমি চোখবুজে ফেলেছি আবেশে গরম নিশ্বাস আমার গালে আছড়ে পড়ছে আমি সাড়া দিতে শুরু করলাম


সুদীর্ঘ চুমুর পর দুজনে চোখ খুললাম যেন এইমাত্র মাতাল ঘোর কাটল পরমূহুর্তে আমি আপুকে আঁটসাট করে জড়িয়ে ধরলাম আপুও আদুরে ভঙ্গিতে আমার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল আমার হাতটা ছিল ওর জীপারের ঠিক উপরে ওটা ধরে ধীরে ধীরেখুলতে শুরু করলাম আপুর গরম নিশ্বাস আমার ঘাড়ে লাগছে বৃষ্টি হচ্ছে বাইরেপুরোটা চেইন নামিয়ে দিয়ে অপর হাতটা দিয়ে বুকের উপরের জামাটা নিচে টানলাম,নেমে গিয়ে সুদৃশ্য গিরিখাতটা ভেসে উঠল আমার এহেন প্রচেষ্টা দেখে আপু হেসে উঠলটেনে ধরে নিজেই সাহায্য করল আমি সেখানে নাক-মুখ রাখলাম অন্ধকার এবং মিষ্টি একটা গন্ধ চুমু খেলাম সেখানে 


আপু হাতটা এনে আমার মাথায় ধরল, আরেকটু আপন করে নিল আমাকে কিছুক্ষণ পর পিঠে হাত দিয়ে ব্রা টা খুলে নিলাম খাপছাড়া হতেই লাফিয়ে বেরিয়ে গেল দুধ দুটো আমি মুখে পুরে নিলাম আহ আপুর গলা চিরে বেরিয়ে এলো চেপে ধরল মাথাটা আরো জোরে একটা হাত সরিয়ে নিয়ে আমার উরুসন্ধিস্থলের খোঁজে হাতড়াল যখন জীপারটা খুলে নিয়ে ভেতরে হাত গলাল, মানে আমার যন্ত্রে টাচ করল, বিদ্যুত প্রবাহ খেলে গেল আমার শরীরে ওর বুক থেকে আমি মুখ সরিয়ে নিলাম আপু অবাক দৃষ্টিতে তাকাল  কি হল?! আমি কিছু না বলে একটা ঢোক গিললাম, আপু হাসল বিছানা থেকে পিঠ ছেড়ে উঠে এলো সে চাদরটা সরিয়ে দিল গা থেকে থ্রি কোয়ার্টার প্যান্টটা একটানে নিচে নামিয়ে দিল এবার আমি একটা মেয়ের সামনে পুরো নগ্ন আমার কেমন জানি অসহায় লাগল, আপুর চোখে দুষ্টু হাসিচুপচাপ শুয়ে থাক বলল সে ঘষটে ঘষটে একটু পেছনে চলে গেল সে, উঠে বসল আমার হাঁটুর উপরে মুঠোর ভেতর এতক্ষন যাবৎ আমার দন্ডটা নিয়ে খেলছে, একটা রডের গরম টুকরার মত হয়ে আছে ওটা দন্ডটা ধরে উপর নিচে জোরে খেঁচ লাগাল আপু 


কখনো জোরে কখনো আস্তে
এবার ধীরে ধীরে মুখটা নামিয়ে আনল নিচে, আমি বুঝলাম না উদ্দেশ্য কি তাকিয়ে একবার ভুরুটা নাচিয়েই ঝপ করেই বাড়াটা নিজের মুখে পুরে নিল আমার শরীরের প্রতিটা অনু দূর্ঘটনার মত দ্রুত প্রতিক্রিয়া করল, টলে উঠলাম আমি শরীরের প্রতিটা শিরা দপদপ করে লাফাতে শুরু করল আপু নিবিষ্ট মনে বাড়াটা চুষতে লাগল আমার দিকে তাকিয়ে দেখছে কিন্তু আমি যে আর আমি নেই, গলাকাটা মুরগীর মত হাঁসফাঁস করছি আপু দেখে আরো খুশি হয়ে উঠল ঘসঘস শব্দ উঠছে আপুর চুলে হাত দিলাম, একটু আটকাতে চাইলাম ওর ক্ষিপ্রতা আর কিছুক্ষন একই জিনিস করে গেলে আটকাতে পারব না


আপু অনেকক্ষন আমাকে স্বর্গীয় সুখ দিয়ে গেল যখন মনে হল আর পারব না, ভেতরে ছুটোছুটি শুরু হয়ে গেছে, তখন ওর মাথা ধরে তুলে ফেললাম হাতে ধরে নিয়ে এলাম কাছে গভীর আগ্রহে একটা চুমু খেলাম ওর ঠোঁটে শরীরটা ছেড়ে দেয়ায় আমার বুকের উপর পড়ল সে মাঝখানে দলিত হল ওর পেশল দুধ দুটো গড়ান মেরে ওকে নিচে নিয়ে এলাম কপালে একটা হালকা চুমু দিয়ে নিচে নেমে যাচ্ছি, বুক থেকে শুরু করে দু ইঞ্চি পরপর চুমু দিয়ে ওর গুপ্তধনটার কাছে পৌঁছে গেছি সুন্দর করে ক্লীন শেভ করা,একটা কামনা উদ্রেককর উতাল গন্ধ, ভেতরে একটা পশুকে জাগিয়ে তুলল কিছুটা সময় কেবল মুগ্ধ চোখে যোনির দিকে তাকিয়েই থাকলাম, বাস্তবে দেখা এই প্রথম এটা আপুএকটা হাত এগিয়ে আনল, চিরে ধরল যোনিটা ভেতরে অমোঘ আকর্ষণময়ী গোলাপী আভা 


আমি আর থাকতে পারলাম না জিভ বের করে রাখলাম ওই চিরেতে আপু শিস দিয়ে উঠল চিরটা এক হাতে ধরে রেখে আরেক হাত আমার মাথায় নিয়ে আসলআমি উপর থেকে নিচে চেটে চলেছি, মাঝে মাঝে চুষে দিচ্ছি, কখনো শক্ত করে আবার কখন নরম ভাবে ওর ক্লাইটোরিসটাতে যতবার জিভ লাগাচ্ছিলাম ততবার কেঁপে কেঁপে উঠছিল আপু উত্তেজনায় কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না বুঝলাম ও পুরোপুরি দুনিয়ার বাইরে; ওর শীৎকার আমার কানে মধু ঢালছে পাগলের মত হাঁপাচ্ছে, উঠানামা করছে সুন্দর বুকটা খামচে ধরছে বিছানা অথবা আমার পিঠ একসময় আপুও পারল না, সমস্ত শক্তি দিয়ে চেপে ধরল আমাকে বুঝতে পারলাম জল খসছে ওর আমি চোখ তুলে সেই অসাধারন অভিব্যক্তিটা দেখতে চেষ্টা করলাম কি অসাধারণ! কি অভিনব!উত্তেজনায় সে পিঠ ছেড়ে উঠে গিয়েছিল, পর্বটা শেষ হতে ধপ করে পড়ল আবার উঠে সোজা হয়ে বসল আমার মাথাটা সরিয়ে নিয়ে পরম আদরে জড়িয়ে ধরল বুকে, চুমু খেল এখানে সেখানে


এক মিনিট পর, আপুকে ধরে শুইয়ে দিয়েছি আমি চলে গেছি ওর যোনির পাশে পাদুটো আমার কোমরের পাশ দিয়ে ছড়িয়ে দেয়া আপু ওর দুধ নিয়ে খেলা করছে আমি বাড়াটায় একটু থুতু লাগিয়ে ওর চিরের কাছে সেট করলাম চোখে চোখে তাকালাম ওর, সেখানে প্রশ্রয় ওর যোনির ভেতর ঢুকিয়ে দিলাম বাড়াটা ব্যথায় আপুর মুখটা হা হয়ে উঠল, যত যাই হোক, ও এখনো কুমারী একটু সময় দিলাম, আপু দু হাত দিয়ে আমার বুকে ঠেলছে যেন বের করে দিতে চাইছে আমাকে আমি অগ্রাহ্য করে ঠায় হয়ে থাকলাম ওর হাতে হাত ধরলাম একটু বের করে আনলাম, পরমুহূর্তেই আবার এক ঠাপে ঢুকিয়ে দিলাম আপুর চেহারায় স্পষ্ট ব্যাথার ছাপ পড়ল আরেকটু ঝুঁকে এলাম ওর দিকে এখনো ঠাপানো শুরু করিনি আরেকটু সময় দিচ্ছি এই ফাঁকে চুমু খেলাম আপুর ঠোঁটে ও মুখে দীর্ঘ চুমুর ভেতর ঠাপাতে শুরু করলাম ব্যাথা প্রকাশক শব্দগুলো বের হতে পারছে না চুমু খাচ্ছি বলে, তবে সে চুমুতে সাড়াও দিতে পারছে না গতি বাড়াচ্ছি ক্রমে পুরোটা ঢুকাতে পারছিলাম না, একটা সময় পুরোটাই ঢুকে গেল আপুকেও একটুনিষ্ক্রান্ত মনে হল এখন সে উপভোগ করতে শুরু করেছে আমি গতি আরো বাড়ালামযখন একটা rhythmয়ে চলে এল তখন ওর শরীরটা নিয়েও খেলতে লাগলাম দুধগুলো উপর নিচে অবিরাম দুলছে, মেয়েলী শরীরটা মোচড় খাচ্ছে বৃষ্টির মধ্যেও শুনতে পাচ্ছি ঠাপানোর শব্দ আপু অল্প অল্প গোঙাচ্ছে ওর সবকিছু দেখে আমার মনের ভেতর কেমন ভালবাসা জন্মাল


আপু আমাকে সরিয়ে দিল উঠে হাঁটুতে আর দুই হাতে ভর দিয়ে আসন নিল আমি পেছন থেকে দৃশ্যটা দেখে সামলাতে পারলাম না ওর চিরেটা এভাবে আরো গভীর মনে হল, যেন অপেক্ষা করে আছে মাথার চুল গুলোকে একটা ঝাঁকি মেরে সরিয়ে দিলআমি এগিয়ে এসে আরেকটু থুতু মেখে ভরে দিলাম এবার পচ করে ঢুকে গেল আপু গুঙিয়ে উঠল- আহযোনি মার আমাকে, আরো জোরে মার লক্ষীসোনা মেরে ফাটিয়ে দে বলে সে তলঠাপ দিতে লাগল আমি ওর সুগঠিত পাছাটা ধরে গতিটা আরো বাড়িয়ে দিলাম আপুর খিস্তি চরমে উঠেছে আঃ আঃ জোরে, আরো জোরে, এই কুত্তা আরো জোরে….আঃ আঃ…”


আপুর বোধ হয় ঘনিয়ে আসছে আমি অনুমান করে সর্বশক্তি দিয়ে ঠাপ মারতে লাগলাম একটা হাত নিচে নামিয়ে এনে ওর যোনি মর্দন করতে লাগলাম আপু পাগল হয়ে যাচ্ছে ঝড়ের মাতন শুরু হয়ে গেল আমাদের মধ্যে আপু সামনের হাত ভেঙে বুক দিয়ে শুয়ে পড়ল, কাজেই আমাকে আরেকটু ঝুঁকতে হল এবার ঠাপগুলো আরো গভীরে গিয়ে লাগছে ও ক্রমাগত হাঁপিয়ে যাচ্ছে ঠাপের চোটে উঁচু করে রাখা পাছা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে আমিও সেভাবে আরো ঝুঁকে যাচ্ছি একসময় আমাকে দুহাত দিয়ে ঠেস দিতে হল, কিন্তু আমি অবিরাম ঠাপিয়েই যাচ্ছি আপু বিছানার চাদর মুঠি করে ধরে মুচড়ে দিচ্ছে বাড়িয়ে দিল শীৎকারের আওয়াজ একটা হাত ঢুকিয়ে দিল পেটের নিচ দিয়ে ওর নিজ যোনিতে ক্লাইটোরিসে উন্মাদের মত ঘষছে 


আঃ আমার হয়ে গেল, হয়ে গেল….” বলে সহসা পুরো ভেঙে গেল আপু আমিও ওর উপর পড়ে গেলাম বলে বাধা পড়ল থামিস না, থামিস না, লক্ষী ভাই আমার, কর, আরো জোরে,আহ….” ওর যোনীর ভেতরের দেয়াল আচমকা কামড়ে ধরল প্রায় সাথে সাথেই আমারও শেষ মুহূর্ত ঘনিয়ে এলো নিজের তাগিদেই পাশবিক শক্তি দিয়ে ঠাপাতে লাগলাম আপু ভীষণ চিৎকার করে নেতিয়ে পড়ল, জলে ভিজে গেল আমার যৌনাঙ্গের সমস্ত এলাকা এদিকে আমিও আপু, নে ধর…” বলে ছেড়ে দিলাম অনুভব করলাম বিশাল একটা স্রোতের মত ঢেউ যেন আছড়ে পড়ছে আমার শরীরটা ধনুকের ছিলার মত টান টান হয়ে গেছে, যেন ছিঁড়ে যাবে কিছুই দেখতে পাচ্ছিনা চোখে, শুধু সীমাহীন অনন্য উত্তেজনা

1 comments:

  1. These fucking story is polluted by aapu. Next time be careful to write. your mind like baba khore.

    ReplyDelete